প্রদাহনাশক ও ব্যথানাশক উপাদান থাকে, যা জয়েন্ট ও মাংসপেশির ব্যথা উপশমে সহায়ক।
রক্তসঞ্চালন উন্নত করে ব্যথার জায়গায় দ্রুত আরাম দেয়।
আর্থ্রাইটিস, গাঁটের ব্যথা ও পেশির ব্যথায় কার্যকর।
কালোজিরা তেল
প্রদাহ কমায়, জয়েন্টের ব্যথা দূর করে।
নিমের তেল
শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি (প্রদাহরোধী) উপাদান থাকে, যা গাঁটের ব্যথা, আর্থ্রাইটিস এবং পেশির ব্যথা উপশমে সহায়ক।
ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস প্রতিরোধ করে, যা সংক্রমণজনিত ব্যথায় কার্যকর।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় ত্বক ও মাংসপেশির ক্ষতি রোধ করে।
আদা
আদায় থাকা জিঞ্জারল (Gingerol) শক্তিশালী প্রদাহনাশক ও ব্যথানাশক উপাদান।
জয়েন্ট ও মাংসপেশির ব্যথা কমায়।
রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে ব্যথার জায়গায় দ্রুত আরাম দেয়।
রসুন
এতে থাকা অ্যালিসিন (Allicin) প্রদাহ ও ব্যথা কমায়।
জয়েন্ট ও নার্ভের ব্যথায় কার্যকর।
রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে ব্যথার জায়গায় আরাম দেয়।
হলুদ
কারকিউমিন (Curcumin) নামক উপাদান প্রদাহ ও ব্যথা কমায়।
আর্থ্রাইটিস, জয়েন্ট ব্যথা ও পেশির ব্যথায় কার্যকর।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় ব্যথার জায়গায় দ্রুত আরাম দেয়।
মেথি
এতে থাকা ফেনুগ্রীকিন (Fenugreekine) প্রদাহ কমায় ও ব্যথা উপশম করে।
আর্থ্রাইটিস ও গাঁটের ব্যথায় কার্যকর।
পেশির টান ও নার্ভের ব্যথা কমায়।
সরিষার তেল (Mustard Oil)
এতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি (প্রদাহনাশক) ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান।
রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, ফলে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুগুলোর পুনরুদ্ধার দ্রুত হয়।
উষ্ণতা সৃষ্টি করে, যা ব্যথা ও জড়তা কমায়।
সিনামন অয়েল
জয়েন্টের শক্তি বৃদ্ধি করে, রক্ত প্রবাহ বাড়ায়
আর্নিকা এক্সট্র্যাক্ট
প্রদাহ ও ব্যথা কমায়
পাহাড়ি গাছ গাছাড়া ও কিছু সিক্রেট ভেষজ উপাদান সহ ২৫ টি উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি
ব্যথা যুক্ত স্থানে পরিমাণ মতো তেল নিয়ে প্রতিদিন সকালে এবং রাতে ৩/৫মিনিট মালিশ করে নিবেন।
সতর্কতা: শুধুমাত্র ব্যাহিক ব্যবহারের জন্য এটি খাওয়া ও চোখে ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন ছোটো বাচ্চাদের নাগলের বাহিরে রাখুন এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখুন।